সর্বশেষ খবর:

এসএসসিপরীক্ষার্থী/২১এর সকলকে ইউনিক আইডি ফরম ডাউনলোডপূর্বক পূরণ করে ২৬/০৫/২২এর মধ্যে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে। -প্রশি  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অত্র বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সবার প্রতি রইলো ভাষা দিবসের শুভেচ্ছা। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি ।  ** ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরকে কভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যে প্রতি শিক্ষার্থী ২কপি তথ্য ফরম সংগ্রহ করুন।  ** আগামীকাল ৩০/১২/২০২১ইং বৃহষ্পতিবার এস এস সি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। স্কুল ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। সবার জন্য শুভ কামনা রইল।(প্রধান শিক্ষক) ।।  ২০২২ ইং শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি চলছে। প্রতিদিন সকাল ১০ঃ০০ টা থেকে দুপুর ০১ঃ০০টা পর্যন্ত স্কুল থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। ফরমের মূল্য ১১০/= টাকা (সরকার নির্ধারিত)।  ***যে সকল শিক্ষার্থী এখনো জন্মনিবন্ধন জমা দেয়নি, আগামিকাল ২৩/১০/২১ইং ১২টার মধ্যে ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে। বিষয়টি অতীব জরুরী। প্রধান শিক্ষক।।.  ** আগামিকাল ২১/১০/২১ইং সকাল ১০ টা থেকে ২টার মধ্যে সকল শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি শ্রেণি শিক্ষকের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।প্রশি..  ** এস.এস.সি. পরিক্ষা-২০২১ এর রুটিন প্রকাশিত হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত এবং মনোযোগ দিয়ে পড়া-লেখা করার জন্য নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।।  সম্মানিত অভিভাবক, আপনার সন্তানকে স্কুল ওয়েবসাইট অথবা আমাদের নিজস্ব schoobee apps থেকে ওয়েবক্লাস দেখতে উৎসাহিত করুন।।  # আমাদের সকলের প্রার্থনা হোক করোনা ভাইরাস মুক্ত একটি বৈষম্যহীন , শোষনমুক্ত, সুন্দর , সমৃদ্ধ ও মানবিক পৃথিবী । বিদ্যমান প্রতিকূল পরিবেশ থেকে মুক্তি ও সুরক্ষার জন্য স্রষ্টার নিকট এটাই আমাদের একান্ত কামনা---আমিন।--শিক্ষক মন্ডলী।।  
মেনু নির্বাচন করুন

সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

বাংলাদেশের মানুষদের হৃদয়ে দয়া বাস করে। এই দয়াবোধ তৈরি হয়েছে এই বদ্বীপ অঞ্চলের প্রকৃতি ও আবহাওয়ার প্রভাবে এবং তার সঙ্গে মিশেছে সুফিবাদ ও লোক-সংস্কৃতির দর্শনগত চিন্তাপ্রবাহ। ফলে দেখা গেছে, অনেক রকম রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক উত্থান-পতনের পরও এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে, মানুষকে চরমতমমূল্যে শ্রদ্ধা ও গ্রহণ করার ব্যাপারে মিশেছে দয়ামায়া ও ভালোবাসা।আমরা জানি, পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পরিবেশ, শিশু ও কিশোরদের মানুষের প্রতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি সহনশীল এবং ইতিবাচক চিন্তাচেতনা গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এখন পূর্ণভাবে শুরু করা উচিত। অনেকের মনে পড়তে পারে, আমাদের দেশের স্বাধীনতার আগে, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরে দু’বার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (একটি রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী এবং অন্যটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান) হতো এবং অনেক বিদ্যালয়ে প্রতিমাসে বের করা হতো দেয়াল-পত্রিকা ও কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বের হতো একটি বার্ষিক সাহিত্যপত্রিকা, তার লেখকরাও হতো বিদ্যালয়েরই।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কীভাবে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম করতে হবে তার একটা রূপরেখা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমার প্রাথমিক প্রস্তাবনায় ভুল থাকতে পারে, কাজে নামার পর অবশ্যই তা সংশোধন করা যাবে।  
প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (প্রাইমারি স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়) একটি কমিটি থাকবে। কমিটির সদস্য হবেন, ছাত্র, শিক্ষক ও সমাজের গ্রহণীয় ব্যক্তি এবং এই কমিটি কোনো রাজনৈতিক চিন্তাধারায় চালিত হবে না। প্রাইমারি স্কুলের কমিটিতে প্রথম শ্রেণির ছাত্র প্রতিনিধিও থাকতে পারে, কেননা একটি শিশু কী মত দেয়, তা শোনা উচিত। 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবরকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিদ্যালয়ের ছাত্ররাই করবে। বাইরের বড় শিল্পী আনার দরকার নেই। এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শুধু বাংলাদেশের সংস্কৃতির রূপ বাস্তবায়ন করতে হবে। বিদ্যালয়ের ছাত্রদের গান, নাটক, কবিতা, গল্প বলা, ছবি আঁকা, বিতর্ক-প্রতিযোগিতা ইত্যাদি বিষয় কীভাবে করতে হবে, তা দেখিয়ে দেওয়ার জন্য বাইরে থেকে প্রশিক্ষক আনা যেতে পারে।  বছরে দু’বার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতে হবে। একটি হবে, রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী এবং বছর শেষে হবে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চলছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি কমিটি করতে হবে। কমিটিতে থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সমাজের গ্রহণীয় ব্যক্তি। কমিটি বছরের প্রথম দিকে ও শেষ দিকে শেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে করণীয় মিটিং করবে।প্রতিমাসে দেয়াল-পত্রিকা বের করতে হবে এবং বছর শেষে একটি সাহিত্যপত্রিকা। অবশ্যই পত্রিকার লেখক হবে বিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পাঠাগার থাকতেই হবে।প্রতি মাসে বা দুই মাস অন্তর দেশের বিখ্যাত একজন শিক্ষাবিদ বা বিশেষ বিষয়ে চিন্তাবিদকে দিয়ে একটি বক্তৃতার আয়োজন করতে হবে। এই কার্যক্রমটি স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে করতে হবে।  
যে দেশের মানুষ নিজের সংস্কৃতির ধারা জানে না বা বোঝে না, অপর সংস্কৃতিকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে চায়, তার জীবন হয় ময়ূরের পালক পরা কাকের জীবন। সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় যে-সব তরুণ অংশ নিয়েছে, এরা হয়তো কিছু বই পড়েছে, শিক্ষিত হয়নি। শিক্ষা মানুষকে পূর্ণ করে, সহজ করে, ঘাতক বানায় না।  অনেকে জানেন, রেনেসাঁপূর্ব ইউরোপের পণ্ডিতরা ধর্ম-ব্যবসায়ীদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্ত করার জন্য যুক্তিশীল কাহিনী শিশুপাঠ্যের সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তার ফল কী হয়েছিল সভ্যতার ইতিহাস তা জানে। আমাদের পাঠ্যসূচিতে সাংস্কৃতিক চিন্তাচেতনা বিষয়ক ও নীতিবোধসম্পন্ন লেখা থাকা জরুরি। এ বিষয়ে শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

Top